মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০১৫

এসআরডিআই- এর তথ্য নির্দেশিকা

তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/২০১৫

 

 

 

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

 

 

 

 

 

 

                       তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/২০১৫

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট

কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট,ঢাকা-১২১৫

 

                          তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/২০১৫

 

 

 

 

নির্দেশিকা প্রনেতা:

ড. মোঃ মকবুল হোসেন

        আহবায়ক

তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ বাস্তবায়ন কমিটি

            

    প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা 

                                                          মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

 

              ড. মো: আবদুল বারী

                       সদস্য

তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ বাস্তবায়ন কমিটি

                    ও

                প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

 

    মোঃ বাবুল হোসেন

       সদস্য-সচিব

                                                                   উর্ধ্বতন   বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

 

 

    

 

 

  সম্পাদনায়:

             খোন্দকার মঈনউদ্দিন

                    পরিচালক

    মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

 

         

 

মুখবন্ধ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং এ অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবাধ ও সঠিক তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা আবশ্যক। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের  স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা  সম্ভব হয় জনগনের সহজ উপায়ে তথ্য উপাত্ত প্রাপ্তি ও তথ্য জানার  সুযোগ সৃষ্টির  মাধ্যমে।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কৃষি মন্ত্রণালয়ের  অধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। এ ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ক্রমহ্রাসমান ভূমি ও মৃত্তিকা সম্পদের যৌক্তিক, লাভজনক  টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সহায়তা করা। এ লক্ষ্যে  প্রতিষ্ঠানটি কৃষক ও কৃষির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা  করে আসছে। ভূমি ও মাটির গুণাগুণ, বৈশিষ্ট্য, সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করে মাটির শ্রেণী বিন্যাস এবং এ সমস্ত উপাত্ত সম্বলিত মানচিত্র প্রণয়ন ও সরবরাহ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর প্রধান কাজ। গবেষণা ও সম্প্রসারণধর্মী এ প্রতিষ্ঠানটি ভূমি, মৃত্তিকা, সার ও সেচের পানির সুষ্ঠু ব্যবহার বিষয়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবিত প্রযুক্তি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ কর্মীগণকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মাটির ক্রমবর্ধমান অবক্ষয়, সেচের পানির দূষণ, ভূমির অপব্যবহার, মাটিতে ফসলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি, ভূমির নিস্কাশন জটিলতা বিষয়ে নিয়মিত পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ণ ও সমস্যা সমাধানকল্পে গবেষণামূলক কাজ করে থাকে।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের  কার্যক্রম সংক্রান্ত সকল তথ্য জনগন যাতে সহজে জানতে পারে, সে লক্ষ্যে  তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/ ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। উক্ত নির্দেশিকার মাধ্যমে জনগণের তথ্য প্রাপ্তি সহজ হবে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই নির্দেশিকা  বাংলদেশের আপামর জনসাধারণ ও মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের  মধ্যে  যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলে আমার  বিশ্বাস।

এই লক্ষ্যে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা /২০১৫ ’’ অনুমোদন ও প্রকাশ করা হলো।

তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/ ২০১৫ সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে যেমন জনগণের তথ্য প্রাপ্তির মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে তেমনি টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

                                                                                                        

 

                                                                                                                   ( খোন্দকার মঈনউদ্দিন)

                                                                                                                              পরিচালক

 

 

সূচীপত্র

 

 

 

 

 

১. পটভূমি ও নির্দেশিকার প্রয়োজনীয়তা                                                                             

১.১ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পটভূমি                                                               ১

১.২ তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা প্রণয়নের যৌক্তিকতা                                                         ২

১.৩. নির্দেশিকার শিরোনাম                                                                                         ২

২. আইনগত ভিত্তি                                                                                                   ২

২.১ অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ                                                                                       ২

২.২ অনুমোদনের তারিখ                                                                                           ২

২.৩.নির্দেশিকা বাস্তবায়নের তারিখ                                                                              ২

৩. সংজ্ঞা                                                                                                            ৩

৩.১  তথ্য                                                                                                           ৩

৩.২  দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা                                                                                          ৩

৩.৩ তথ্য প্রদানকারী ইউনিট                                                                                     ৩

৩.৪ আপীল কর্তৃপক্ষ                                                                                               ৩

৩.৫ তৃতীয় পক্ষ                                                                                                    ৩

৩.৬ তথ্য কমিশন                                                                                                 ৩

৩.৭ অন্যান্য                                                                                                        ৩

৪.  তথ্যের শ্রেনীবিন্যাস এবং তথ্য প্রদান পদ্ধতি                                                                ৪

৪.১ স্বপ্রণোদিত তথ্য                                                                                                ৪

৪.২ অনুরোধ বা চাহিদার ভিত্তিতে তথ্য প্রকাশ/প্রদান                                                           ৪

৪.৩ কতিপয় তথ্য প্রকাশ যা প্রদান বাধ্যতামূলক নয় এবং এর তালিকা                                      ৪

৫.  তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি                                                                                ৫

৬.  দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ                                                                                   ৫

৭.  দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্মপরিধি                                                                   ৬

৮.  তথ্য প্রদানের সাথে সংশ্লিষ্ট সহায়ক/বিকল্প কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্মপরিধি                           ৬

৯.  তথ্য প্রদানের পদ্ধতি                                                                                           ৬

১০  তথ্য প্রদানের সময়সীমা                                                                                      ৭

১১. তথ্যের মূল্য এবং মূল্য পরিশোধের নিয়মাবলী                                                             ৭

১২.  আপীল কর্তৃপক্ষ এবং আপীল পদ্ধতি                                                                        ৮

১৩. তথ্য প্রদানে অবহেলার শাস্তি বিধান                                                                        ৮

১৪. তথ্যাদি পরিদর্শনের সুযোগ                                                                                   ৯

১৫.  সংযুক্তি

 পরিশিষ্ট ‘ক’ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বিকল্প দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের তালিকা                        ১০-১৬

পরিশিষ্ট ‘খ’ স্বপ্রণোদিত তথ্যের তালিকা                                                                       ১৫

পরিশিষ্ট ‘গ’ চাহিবার ভিত্তিতে প্রদেয় তথ্যের তালিকা                                                        ১৫

পরিশিষ্ট ‘ঘ’যে সকল তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক নয়                                                         ১৬

পরিশিষ্ট ‘ঙ’ তথ্য প্রাপ্তির আবেদনপত্র                                                                         ১৭

পরিশিষ্ট ‘চ’ তথ্য সরবরাহের অপারগতার নোটিশ                                                         ১৮

পরিশিষ্ট ‘ছ’ আপীল আবেদন                                                                                  ১৯

পরিশিষ্ট ‘জ’ তথ্য প্রাপ্তির অনুরোধ ফি এবং তথ্যের মূল্য নির্ধারণ ফি                                      ২০

 

 

 

 

 

 

১.   পটভূমি ও নির্দেশিকার প্রয়োজনীয়তা

 

১.১ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পটভূমি

 

 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। ভূমি ও মাটির গুণাগুণ, বৈশিষ্ট্য, সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করে মাটির শ্রেণী বিন্যাস এবং এ সমস্ত তথ্য উপাত্ত সম্বলিত মানচিত্র প্রণয়ন ও সরবরাহ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর প্রধান কাজ। গবেষণা ও সম্প্রসারণধর্মী এ প্রতিষ্ঠানটি ভূমি, মৃত্তিকা, সার ও সেচের পানির সুষ্ঠু ব্যবহার বিষয়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবিত প্রযুক্তি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ কর্মীগণকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মাটির ক্রমবর্ধমান অবক্ষয়, সেচের পানির দূষণ, ভূমির অপব্যবহার, মাটিতে ফসলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি, ভূমির নিস্কাশন জটিলতা বিষয়ে নিয়মিত পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ণ ও সমস্যা সমাধানকল্পে গবেষণামূলক কাজ করে থাকে।

 

ভূমি,  মাটি ও পানি সম্পদের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় ও সংরক্ষণের প্রয়োজনে এসব সম্পদের প্রকৃত মূল্যায়ন ও উন্নয়ন সম্ভাবনার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ লাভজনক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে তদানিন্তন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন ‘সয়েল সার্ভে প্রজেক্ট অব পাকিস্তান’ নামে এ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর উদ্দেশ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের জন্য সমগ্র দেশের প্রাথমিক মৃত্তিকা জরিপ (Reconnaissance Soil Survey) সম্পন্ন করা।

বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭২ সালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠানটি ‘মৃত্তিকা জরিপ বিভাগ’ রূপে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৭৫ সালের মধ্যে দেশের প্রাথমিক মৃত্তিকা জরিপ সম্পন্ন  হয় ।

১৯৮৩ সালে কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মৃত্তিকা জরিপ বিভাগটি পূনর্গঠন, সম্প্রসারণ এবং নতুন নামকরণ করে মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত বিভাগ । বর্তমান ‘মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করা হয় । বর্তমানে প্রধান কার্যালয় ছাড়াও ০৬ টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ২১টি জেলা কার্যালয়, ১৫টি আঞ্চলিক গবেষণাগার, ৬টি সার নমুনা পরীক্ষাগার ও ২টি গবেষণা  কেন্দ্রের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এ প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ক্রমহ্রাসমান ভূমি ও মৃত্তিকা সম্পদের যৌক্তিক, লাভজনক  টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সহায়তা করা। এ প্রতিষ্ঠান কৃষক ও কৃষির উন্নয়নের জন্য   বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা  করে আসছে। উলেস্নখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ হল -

  • ভূমি ও মৃত্তিকা সম্পদের বৈশিষ্ট্যায়ন।
  • কৃষক সেবা।
  • আইসিটি সেবা।
  • মৃত্তিকা, পানি, উদ্ভিদ ও সার নমুনা বিশ্লেষণ।
  • মৃত্তিকা ও পানির লবণাক্ততা এবং  মৃত্তিকা উর্বরতা পরিবীক্ষণ।
  • সমস্যাক্লিষ্ট মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক গবেষণা।
  • প্রযুক্তি হস্তান্তর।
  • ভূমি ও মৃত্তিকা সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের মানচিত্র প্রণয়ন।
  • তথ্য সরবরাহ ও পরামর্শ সেবা।

 

 

 

 

 

 

 

 

১.২ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/২০১৫ প্রনয়নের যৌক্তিকতা

 

 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সাথে তথ্য অধিকারের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভূমি ও মাটির গুণাগুণ, বৈশিষ্ট্য, সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করে মাটির শ্রেণী বিন্যাস এবং এ সমস্ত উপাত্ত সম্বলিত মানচিত্র প্রণয়ন ও সরবরাহ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর প্রধান কাজ। গবেষণা ও সম্প্রসারণধর্মী এ প্রতিষ্ঠানটি ভূমি, মৃত্তিকা, সার ও সেচের পানির সুষ্ঠু ব্যবহার বিষয়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবিত প্রযুক্তি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ কর্মীগণকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মাটির ক্রমবর্ধমান অবক্ষয়, সেচের পানির দূষণ, ভূমির অপব্যবহার, মাটিতে ফসলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি, ভূমির নিস্কাশন জটিলতা বিষয়ে নিয়মিত পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ণ ও সমস্যা সমাধানকল্পে গবেষণামূলক কাজ করে থাকে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর সুবিধাভোগী হচ্ছে কৃষক/ কৃষিকর্মী / খামার মালিক /সম্প্রসারণ কর্মী /এনজিও/ গবেষক/ শিক্ষাবিদ/ছাত্র/কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর/ কাষ্টমস/পুলিশ প্রশাসন/ কৃষি মন্ত্রণালয় /বিএআরসি/ নার্সভূক্ত প্রতিষ্ঠান /বেসরকারী আমদানীকারক  সমেত বিভিন্ন সার প্রত্যাশী সংস্থা। সুবিধাভোগীদের চাহিদা মাফিক দ্রুততম সময়ে এবং স্বচ্ছতার সংগে ভূমি, মাটি এবং সার সুপারিশ সম্পর্কিত  তথ্য প্রদান করে মৃত্তিকা স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত  করা অত্যাবশ্যক। এছাড়া, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারি ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত সরকার তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করেছে। তাই মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কিত কতিপয় তথ্য যা প্রকাশ করলে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের উপর অর্পিত মূল দায়িত্ব পালনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না সেগুলো জানার অধিকার জনগণের আছে।

১.৩.নির্দেশিকার শিরোনাম

 

 

জনগণের তথা সংশ্লিষ্ট অংশীজনের তথ্য প্রাপ্তি সহজতর করার জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। এর মাধ্যমে স্বল্প সময়ে এবং যথাযথ পদ্ধতিতে জনগণ সহজে তথ্য পেতে পারে। সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলে তথ্য প্রাপ্তিতে সংশ্লিষ্টদেরকে হয়রানির সম্মুখীন হতে হয় না। এই কারণে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর আলোকে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট  এর তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো, যা ‘মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের  তথ্য অবমুক্তকরণ নির্দেশিকা/ ২০১৫’ নামে অভিহিত হবে।

 

২. আইনগত ভিত্তি:

 ২.১. অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ: পরিচালক, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট

২.২   অনুমোদনের তারিখ             :২০/০৪/২০১৫ খ্রিঃ

২.৩. নির্দেশিকা বাস্তবায়নের তারিখ : ২০/০৪/২০১৫খ্রিঃ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

. সংজ্ঞা

 

৩.১. তথ্য:  তথ্য অর্থে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের গঠন, কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকান্ড সংক্রান্ত যে কোন স্মারক, বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য-উপাত্ত, লগবই, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নমুনা, পত্র, প্রতিবেদন, হিসাব বিবরণী, প্রকল্প প্রস্তাব, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও, অংকিতচিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্ত্ততকৃত যে কোন ইনস্ট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবে পাঠযোগ্য দলিলাদি এবং ভৌতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যে কোন তথ্যবহ বস্ত্ত বা তাদের প্রতিলিপিও এর অন্তর্ভুক্ত হবে;

তবে শর্ত থাকে যে, দাপ্তরিক নোট সিট বা নোট সিটের প্রতিলিপি এর অন্তর্ভুক্ত হবে না;

 

 

৩.২. দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা: তথ্য অবমুক্তকরণ নীতি বাস্তবায়নের জন্য এবং তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের জন্য  মৃ্ত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট,  প্রধান  কার্যালয়,  আঞ্চলিক  কার্যালয়,  এবং  জেলা  কার্যালয়ে  দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পদবী ও ঠিকানা পরিশিষ্ট-ক এ দেয়া হল।

 

 

৩.৩.তথ্য প্রদানকারী ইউনিট: তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার সমন্বয়ে প্রত্যেকটি কার্যালয়ে তথ্য প্রদানকারী ইউনিট গঠিত

 

হবে;

 

 

৩.৪.আপীল কর্তৃপক্ষ: প্রধান কার্যালয়ের ক্ষেত্রে সচিব, কৃষি মন্ত্রনালয়, আঞ্চলিক কার্যালয় ও আঞ্চলিক গবেষণাগারের ক্ষেত্রে পরিচালক এবং জেলা কার্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক কার্যালয় আপীল কর্তৃপক্ষ হবেন;

 

৩.৫.তৃতীয় পক্ষ: “তৃতীয় পক্ষ” অর্থ তথ্য প্রাপ্তির জন্য অনুরোধকারী বা তথ্য প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ব্যতীত অনুরোধকৃত তথ্যের সহিত জড়িত অন্য কোন পক্ষ। অর্থাৎ, তথ্য প্রাপ্তির জন্য অনুরোধকারীকে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর কার্যালয় ব্যতীত অন্য কোন সংস্থা জড়িত থাকলে তা সংস্থার নিকট তৃতীয় পক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৩.৬. তথ্য কমিশন:

 “তথ্য কমিশন” অর্থ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ধারা ১১ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত তথ্য কমিশন।

৩.৭. অন্যান্য:

(ক)       “কর্মকর্তা” অর্থে কর্মচারী ও অন্তর্ভুক্ত হবে ;

 (খ)       “তথ্য অধিকার” অর্থ কোন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার ;

 (গ)       “নির্ধারিত” অর্থ বিধি বা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ;

 (ঘ)     “প্রবিধান” অর্থ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৪ এর অধীন প্রণীত কোন প্রবিধান ;

 (ঙ)     “বিধি” অর্থ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৩ এর অধীন প্রণীত কোন বিধি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

. তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস এবং তথ্য প্রদান পদ্ধতি

তথ্য প্রদান পদ্ধতি, তথ্য অধিকার আইনের বাস্তবায়ন সাপেক্ষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকার আছে এবং নাগরিকের চাহিদা/অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট তাকে তথ্য প্রদানে বাধ্য থাকবে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউেটর  গৃহীত সিদ্ধান্ত, কার্যক্রম কিংবা সম্পাদিত বা প্রস্তাবিত কর্মকান্ডের সকল তথ্য নাগরিকের নিকট সহজলভ্য করার প্রয়াসে সূচিবদ্ধ আকারে অনলাইনে প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা করবে।

 

 

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের কাছে যেসব তথ্য রয়েছে তা তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে-

  • স্বপ্রণোদিত তথ্য

 

  • চাহিবামাত্র প্রদানে বাধ্য তথ্য  

 

  • কতিপয় তথ্য প্রকাশ বা প্রদান বাধ্যতামূলক নয়

 

 ৪.১.স্বপ্রণোদিত তথ্য

 

এই শ্রেণির আওতাভুক্ত তথ্যগুলো পরিশিষ্ট-ক-এ উল্লেখ করা আছে যা তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী স্বপ্রণোদিতভাবে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে (www.srdi.gov.bd) প্রকাশিত থাকবে।

 

যদি চাহিদা অনুযায়ী কোনো তথ্য মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে পাওয়া না যায় তাহলে, তথ্য চাহিদাকারী মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা বরাবর (ঠিকানা: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা ১০০০) আবেদন করতে পারবেন।

 

৪.২ চাহিবামাত্র প্রদানে বাধ্য তথ্য:

 

এই শ্রেণির আওতাভুক্ত তথ্যগুলো পরিশিষ্ট-খ এ উলেস্নখ করা আছে। এজাতীয় চাহিদাকৃত তথ্য মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অনুমোদন ব্যতিরেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চাহিদাকারীকে প্রদান করতে পারবে।

 

 

৪.৩ কতিপয় তথ্য প্রকাশ বা প্রদান বাধ্যতামূলক নয়:

 

কতিপয় তথ্য যা কোন নাগরিককে প্রদান করতে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বাধ্য থাকবে না। এ তালিকাটিও মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কর্তৃক নির্ধারিত হবে। পরিচালক এটি অনুমোদন করবেন। এ তালিকাটি মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কর্তৃক ৬ মাস পর পর পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে সংযোজন/বিয়োজন করা হবে।

 

নিম্নবর্ণিত তথ্যসমূহ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কোন নাগরিককে প্রদান করতে বাধ্য থাকবে না, যথা-

 

(ক) কোন তথ্য প্রকাশের ফলে বিচারাধীন মামলার সুষ্ঠু বিচার কার্য ব্যাহত হতে পারে এরূপ তথ্য;

 

(খ) কোন তথ্য প্রকাশের ফলে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হতে পারে এরূপ তথ্য;

 

(গ)কোন তথ্য প্রকাশের ফলে কোন ব্যক্তির জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপদাপন্ন হতে পারে এরূপ তথ্য;

 

(ঘ)আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয় এবং যা প্রকাশে আদালত বা ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে অথবা যার প্রকাশ আদালত অবমাননার শামিল এরূপ তথ্য;

 

(ঙ)অনুসন্ধানাধীন বা তদন্তাধীন কোন বিষয় যার প্রকাশ অনুসন্ধান বা তদন্ত কাজে বিঘ্ন ঘটাতে পারে এরূপ তথ্য;

 

(চ)কোন অপরাধের তদন্ত প্রক্রিয়া এবং অপরাধীর গ্রেফতার ও শাস্তিকে প্রভাবিত করতে পারে এরূপ তথ্য;

 

 

(ছ)কোন ক্রয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ হবার পূর্বে বা উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট ক্রয় বা উহার কার্যক্রম সংক্রান্ত কোন ত


Share with :